বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৪

প্রহেলিকার আত্মকথন -২

তোকে প্রবাহিত হতে দেখেছি তাদের শিরায় শিরায়, তোর ফেনিল পারদে বেদিক হয়ে কেউ কেউ নেমেছিলো কাল জলের প্রভাত স্নানে কিংবা মেতে ছিলো সূর্য অপেক্ষমান শিশিরের মুগ্ধতায়। দক্ষ শিকারীর ভঙ্গিমায় কেউ কেউ উপড়ে ফেলেছিলো উড়ন্ত পাখির শুভ্র পালক, হয়তোবা কারো দৃষ্টিক্ষুধায় ধূসর হয়েছিল সবুজ শেকড়। প্রলম্বিত হয়েছে কারো অন্ধরেখা তোর পর্ণমোচী সম্মোহনে। তাই বলে কি পেরেছিলি অমর হতে? কখনো ছুঁয়েছিলি সংকল্পের পর্বতচূড়া বিসর্পিত বাতেল্লায়?জানি না, নিশ্ছিদ্র এই নিরেট দেয়াল টপকে কিভাবে সামনে এসে দাঁড়ালি, হৃদয়ের কার্নিশে বসত গেড়েছে অজস্র প্রাসাদকুক্কুট যারাই কিনা একদা আমাকে দমাতে পুঁড়িয়েছে আপন পাখা, অহর্নিশ করেছে পূঁজো শশ্মান ঘাটে...

অনুভূতি

উত্সর্গ: শ্রদ্ধেয় ছাইরাছ হেলাল কে, যিনি পাঠক হিসেবে আমাদের পাশে রয়েছেন বিস্তৃত আকাশের মত উদার হয়ে, এখনো শক্ত করে কলম ধরে রেখেছি তারই অনুপ্রেরণায়। তার সংস্পর্শেই রয়ে যেতে চাই। আমার এই ক্ষুদ্র লিখাটি আজ তাকেই উত্সর্গ করলাম। আর হ্যাঁ আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ লিখাটি হবে তার নামেই। =============================================================================================প্রস্তর চাপা ঘুমটি ভেঙ্গে গেলো মাঝরাতেই, আমার কাছে তা মাঝরাত হলেও বুড়ো হাবড়াটার কাছে ভর দুপুর মনে হবে না তা কিন্তু না। যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে দিব্যি ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে জব্বারের বলীখেলার। ঘোষণা শুনে অকারণেই হাসতে হাসতে লুতুপুতু শুরু করলাম, খুলে দিয়ে বন্ধ দরজাটি তাকেও জানিয়ে দিলাম আমিও 'বাঁজে বীণ নাঁচে নাগিন-এর পুরনো ভক্ত, যাবো অবশ্যই যাবো।নিশ্ছিদ্র মস্তিষ্কের অন্দরমহলে কোয়াশিয়াটি খুব দ্রুত বেড়ে উঠেছে, এই দিকে পঞ্চপ্রদীপ জ্বালিয়ে মোটা...

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৪

প্রহেলিকার আত্মকথন -১

হামাগুড়ি দিয়ে নয় খুঁজেছি তোকে বিদ্যুৎ গতিতে। অজ্ঞতার নগ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে বিস্তৃত সপ্রতিভ আঁধারে, কখনো কখনো কুমারী বিকালের গাঢ়ো নিশ্বাসের হর্ষে, খুঁজেছি মুয়াজ্জিনের ডাকে ছুটে গিয়ে পবিত্র প্রাঙ্গনে, হন্য হয়ে খুঁজেছি সন্ধির হাট-বাজারে, দিশেহারা হয়ে অজন্তের সরু পথের শেষ প্রান্তে পেয়েছি ধর্ষিত হলুদ পাহাড়, নীলাম্বরের বুক থেকে এক টুকরো নীল ছিনিয়ে এনে মেখে দিয়েছিলাম তার পূর্নাঙ্গে। ভেবেছিলাম এই সবুজের মাঝেই বুঝি খুঁজে পাবো তোর অনুরূপ, কিন্তু দুষ্কর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অভ্রভেদী রহস্যের অন্তরালেই রয়ে গেলি তুই। আমার মত করে গোত্রের সকলেই খুঁজেছিলো তোকে। আমিও জেনে গিয়েছি তোকে আর খুঁজে পাবো না মৃত্যুর প্রসবের পূর্বে।...

বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৪

ছায়া

-বালুঝড় দেখেছ কখনো?-না'তো দেখিনি। তুমি দেখেছো ?-না, আমিও দেখিনি তবে অনুভব করতে পারছি তোমার হাতের স্পর্শে।-আমার হাতের স্পর্শে? কি বলছ তুমি এসব? আমার হাত যে তোমার হাতে বন্ধী।-আমার হাতে তোমার হাত রয়েছে বলেই তো বুঝতে পেরেছি। ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনের ধ্বনিই আমাকে জানিয়ে দিয়েছে তোমার বুকে কত উত্তাল ঝড় বইছে।রবির শেষ কথাটি শুনে খানিকেই থমকে যায় ছায়া, এই মাত্র বুঝি সশব্দে বিস্ফোরিত হলো গোধুলির স্নিগ্ধ আলো বিলানো সূর্যটি। মুহূর্তেই অবরুদ্ধ অশ্রুর ফোয়ারা বইতে শুরু করে।-আমাকে এখন যেতে দাও, আমি চলে যাবো।অশ্রু মুছতে মুছতে বলে ছায়া।-এই তোমাদের একটা সমস্যা, অল্পতেই চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে, কিন্তু আমাকে দেখো এক ফোটা অশ্রুও ঝরেনি আজ অবধি, যন্ত্রণার তপ্তায় নিজেদের গুছিয়ে বরফ হয়ে তারা ভালই রয়েছে আজও।-আমি এখন যেতে চাই, খানিক বাদে আঁধার নেমে যাবে, তুমিতো জানই আমি আঁধার নই আলোর সঙ্গী।-হ্যাঁ, জানি বলেইতো বলছি' এখন তুমি...

মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৪

উনুন বিলাস

রাত্রির শেষ প্রহরেই ছুটে গিয়েছিলাম-মাইগ্রেনের ব্যাথা বুক পকেটে রেখে নির্জনতার কোলে।বৈশাখী কাব্যের শব্দফুল কুড়াতে কুড়াতে-বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম আমি নই রজনীকান্ত কিংবানই কোনো অভিনেতা স্থিত রুপালি পর্দার।হিরো নয়! সৌহার্দ্যের ভঙ্গিতে মুচকি হেসে নতশিরেপাড়ি দিতে হবে উন্মুক্ত বক্ষের দাবিতে সুদীর্ঘ মানব বন্ধন।আঁধারের প্রহসনে ভুলে গিয়েছিলাম, এই কালবেলাতেজেগে উঠে সুউচ্চ দালানে পালিত মাতাল কুকুরেরা।গাম্ভীর্য পবনে আত্মভোলা হয়ে দৃষ্টি চলে যায়নৈশব্দের মাঝে ভেসে আশা গুন্জনরেখার শেষ বিন্দুতে।নবোঢ়ার ঘোমটার আড়ালে সম্মোহিত নয়নে দেখিআভিজাত্য মোড়ানো ছারপোকাদের উনুন বিলা...

রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৪

সম্বোধন

দিব্যদৃষ্টিতে আপনাকেই দেখেছি দু'চোখের দুরত্বে।দীপান্বিতার শহর ফেলে পাদবিক হিমানীর রাজত্বে,জোত্স্নার আলোয় আধো রাতে ভাঙ্গা স্বপ্নের মাঝে,সুখ কুঁড়াতে গিয়ে শৈলের চূঁড়ায় নির্লিপ্ত নগ্ন সাঁঝে,কালো কেশের অমিয় সুভাষ বিলানো নীল আকাশে,নুপুর পায়ে চঞ্চল নৃত্তে হৃদয় মাতানো ঘোর বরষে,স্বপ্ন লতা ছেয়ে যাওয়ার সুখের যন্ত্রণার উন্মাদনায়,এক চিলতে জোত্স্নায় আঁকা ক্যানভাসের আল্পনায়।ছিপি ফুঁড়ে অব্যক্ত পঙতিগুলো সম্মুখে দন্ডায়মান,হুনুরির কারুতে ঠাই দিবেন কি? রয়েছি অপেক্ষমান।তুমি এখনো ঘুমোচ্ছ? আঁধার লুকিয়েছে সূর্যালোকে,প্রশান্ত হৃদয়ে পাখপাখালি উড়ছে প্রণয়ের সর্বসুখে। যুগলহাতে চলো আজ নগনদীতে ভাসবো অবেলায়,খেলবো দু'জন নিরালাতে মৃদু আলোয় চন্দ্র দোলায়।নিয়ে যাবো বসন্তপুরে যেখানে রয়েছে দুঃখের পরিত্রাণ,মন্দানিলে খুলে উদাসী ঘোমটা করবো দু'জন ধারাস্নান।চুম্বনের উষ্ণতায় হারিয়ে যাব কৌতুহলের অতলান্তে,আনাড়ি নাবিক বাইবো তরণী কাম সমুদ্রের...

বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৪

সুখ নির্ণয়

অনক্ষ বৃক্ষের ঝরে পরা স্বপ্নগুলো ভিড় জমায়,সলাজে আবছা আলোতে তার মনের আল্পনায়। নিরুদ্ধ যন্ত্রণার দুর্বিপাকে নিখোঁজ সুখের পরব,মুদিত নয়নে আজ দুর্বিনেয় কষ্টের নীল বরফ। অমর্ষের আড়ালে সতেজ স্বপ্নগুলো ছিল উচ্ছ্বাসিত,অস্পর্শের যাতনে যারা আজ পথ হারিয়ে নির্বাসিত। অহমের প্রচ্ছাদনে নিকষ দুর্বিগ্রহে আজ নিপিষ্ট প্রণয়,সফেদ স্বপ্নগুলো ভাসে দিগ-দিগন্তে করতে সুখ নির্ণ...

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

তুই কি আমার দুঃখ হবি?

তুই কি আমার দুঃখ হবি? এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউল রুখো চুলে পথের ধুলো চোখের নীচে কালো ছায়া। সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি। তুই কি আমার দুঃখ হবি? তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি? মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি? তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর নির্জনতা ভেঙে দিয়ে ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি? একটি নীলাভ এনভেলাপে পুরে রাখা কেমন যেন বিষাদ হবি। তুই কি আমার শুন্য বুকে দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি? নরম হাতের ছোঁয়া হবি? একটুখানি কষ্ট দিবি। নিজের ঠোট কামড়ে ধরা রোদন হবি? একটুখানি কষ্ট দিবি। প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায় কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি? একটুখানি কষ্ট দিবি। তুই কি একা আমার হবি? তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি? কবি- আনিসুল হক।&nbs...

রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৪

কার্পাসী কুবুদ্ধি

রুধিরাক্ত শরীরে রিঙ্গিত যুবকের সঞ্চরণ দেখেছি পর্বতশৃঙ্গে,  সংকীর্তিত চেতনার অগ্নিশিখা বক্ষে ধরে নিপিষ্ট অঙ্গে।  পরিশুষ্ক অধনের জ্বলন্ত চিত্রণ ইন্ধনে কুপোকাত প্রতিপক্ষ, নবপল্লবের সান্তর গর্জনে দেখেছি নিষ্কলুষ বাংলার অন্তরিক্ষ।   আজ দ্যাখো অবিরাম ভাসে আরতি গগনের অন্তর্দেশে ধূসর বদনে সকাতরে রুদিত নীলাভ হারিয়ে অবশেষে। বিশ্বজয়ী বালকের পিঙ্গলবর্ণ আখিতে দ্যাখো রাশভারী কালাশুদ্ধি  শতরঞ্চি পেতে অন্তর্জগতে বসত গেড়েছে কার্পাসী কুবুদ্ধ...

রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৪

পালঙ্ক

যাক তাহলে অনেক বছর পর হলেও বাড়িটি আজ জাকজমকপূর্ণ হলো। মাছিদের ভোঁ ভোঁ করে শোক প্রকাশ করাটাই শুধু বিরক্তিকর। পুরনো টিনের চালের ফুটো দিয়ে বৃষ্টি পড়ে বলে পালঙ্কটি সড়িয়ে নেয়া হচ্ছে দালান ঘরের ছাঁদের নিচে। পালঙ্কে পিঠ লাগানোর কথা আমারি ছিলো তাই এক পলক তাকাতে ভুলে যায়নি। অদম্য কে দমন করে পিঠ লাগিয়ে পবিত্র পালঙ্কটিকে অপবিত্র করার হাত থেকে রক্ষা পেলাম কারণ যার জন্য আজকের এই শয্যা সে আমার অনেক প্রিয় মানুষ ছিলো এখন মনে হয় নেই, না অস্বীকার করে লাভ নেই এখনো সে প্রিয় মানুষ হয়েই রয়েছে এবং থাকবে। তার কি হয়েছে? সারাজীবন নিজে একা একা গোসল করলো আজ দেখি কয়েকজন মিলেই তাকে গোসল করাচ্ছে!!! আমার সহ্য হচ্ছে না একদম এসব। তার জন্য নিরাপদ, যথোপযুক্ত স্থানেই এখন পালঙ্কটি...

অনুতপ্তের বারুদ

তুমি কি ভেবেছিলে খুব সহজেই দুমড়ে যাব? বিলীন হব? তুমি কি ভুলে গিয়েছিলে আমি বাঁচি বক্ষে ধরে রুক্ষ প্রবাল? দৈত্তহাসিতে কম্পমান আকাশে আমি নিরন্তর উড়াই ঘুড়ি? অবয়বে মেখে উত্তপ্ত সূর্যাধুলি করেছি কত রৌদ্রবিলাস? অতীতে আমার তিনকাল তুমিই জানতে! কি ভেবেছিলে? মনে আছে কি নিতম্ব নেবুর সুভাষে আমি হইনি আত্মহারা? বিদ্ধ হয়ে আমি করিনি সন্তরণ ছল ধরা আঁখির জলস্ফীতিতে? উচ্চশির নত করিনি তোমার পুরন্ত যৌবনের জ্বলন্ত শিখায়? পূঁজনীয় বিশ্বাস হাতে এসেছিলে গোধূলি বেলায় ফিরিয়ে দেইনি, স্বখাদ সলিলে মুমূর্ষ তোমাকেই দেখিয়েছি গগনের উল্টো পৃষ্ঠা! কিভাবে ভাবলে আমায় জ্বালাবে?আমিই জ্বালাই,পোড়াই, উড়াই! আমার নয়!অনুতপ্তের বারুদ সেতো  জ্বলবে তোমার নিকুঞ্জ...

বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০১৪

অজর তারুণ্যধর

কোথায় রয়েছে লুকানো অজর তারুণ্যধর অসংখ্য নীল শাখার ভিড়ে? খুঁজি উন্মেষিত নয়নে দিক থেকে দিগন্তে নন্দিত মহীর বুক চিঁড়ে। বিদাহী হৃদয়ে খুঁজি মাজুর প্রভাতে উড়ে চৌকস বিহঙ্গের পাঁখে, মেলে না দেখা তার জানিনা জন্মে কোন অচিন কুল-শীল শাখে। রাজ-রোগে শায়িত অসাড় রাজধানীতে দেখি ভরদুপুরে সূর্যাস্ত, কালোমেঘে ঢাকা পরে পূর্নিমার আলো অভাজন মনে হয়ে পরাস্ত।  কাঁজল পাখির অশ্রু ফোয়ারায় দেখি বিবর্ণ নীলসাগরের জল, কিশলয় ঝড়ে পরে অযাচিত ক্রোধে দেখে শত পাথুরিয়া ছল। মানমন্দিরেও মেলেনা তোমার খোঁজ, নিগৃহিত জীবন্ত শেঁকড়, নিষ্করুণ অবহেলায়, তেজস্ক্রিয় মৃত্তিকার বুকে ব্যার্থতার আকর। ...

মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০১৪

উদাসী ডংকা বাজে জগৎ জুড়িয়া

ঘুম থেকে সকাল বেলায় উঠেই টুথব্রাশের উষ্ঠাগত প্রাণ দেখে দৌড়ে গেলাম নিচের লোকমান মিয়ার বউ-এর মুদির দোকানে (লোকমান মিয়া অসুস্থ তাই তার বউ দোকান পরিচালনা করে) । মুদির দোকানে টুথব্রাশ কিনতে গিয়ে শুনি দোকানে গান বাজছে, গানের কলিটা ছিলো এমন - “আমি থাকি বাংলাদেশে তুমি থাক দুবাই, মোবাইল দিয়া চুমা দিলে কোনো শান্তি নাই” জিজ্ঞেস করলাম কি খালাম্মা সকাল বেলা এই গান ব্যপার কি ? -আরে আর কইও না, ওই শালার (উনার স্বামী) যেই ব্যরামে ধরছে মনে হয় এইবার মরবো। আমার আর ভাল্লাগে না এই জ্বালা, তাই মনের দুক্ষে গান হুনি। উনার উদাসী কথাটা শুনে আমি আর কথা না বাড়িয়ে চলে আসলাম, সবার মনেই তো যন্ত্রণা থাকে, গান শুনে যদি উনার যন্ত্রণা দূর হয় তাহলে আমার ক্ষতি নাই। তাই টুথব্রাশ নিয়ে বাসায় এসে অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে গেলাম নাস্তা না করেই কারণ গ্যাসের সিলিন্ডার গতরাতে শেষ হয়ে যাওয়াতে গ্যাস চুল্লীর মুখটাও ছিল খুব...

Page 1 of 3412345Next
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by প্রহেলিকা