শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৪

লজ্জাস্থান ঢাকিলেই হয়না লজ্জা নিবারণ।

"আপনাদের সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি , ইদানিং দূতাবাসের ভিতরে পকেটমারের উপদ্রব বেড়ে গেছে। আপনারা আপনাদের পকেট সাবধানে রাখবেন " 

দুবাই -এ অবস্থিত বাংলাদশ দুতাবাস কতৃপক্ষ একটু একটু পর পর যখন এই সতর্কমুলুক বার্তাটি ঘোষণা করছিল তখন একটু বিরক্ত না হয়ে আর পারলাম না। লজ্জিতও হলাম বটে এই ঘোষণাটি শুনে। কেন লজ্জিত হলাম সেটাই বলতে যাচ্ছি। দুবাই-এর সাথে আমি আমার সোনার দেশের তুলুনা করতে চাই না। তবে তার পরও কিছু কথা আজ না বলে পারলাম না। আজকাল আমি একটু বেশি কথা-ই বলে ফেলছি। দু'কলম লিখাপড়া করেই সুযোগ পেলে দু'একটি বিবেক তাড়িত বাক্য হঠাৎ করে অনিচ্ছাকৃতভাবেই বের হয়ে যায়।

বিশ্বের মানচিত্রে বর্তমানে দুবাই একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের ১৮৮টি দেশের নাগরিকের অবস্থান এই ক্ষুদ্র দেশটিতে। অনেকে এসেছেন কোনো চাকুরী নিয়ে আবার অনেকে এসে গড়েছেন বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। আমি আজ গত ৪ বছর ধরেই একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছি। আমার এই ৪ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে একটি কথা আমি বলতে পারি যে, আমাদের বাংলাদেশের নাগরিকদের এখানে খুব হেয় করে দেখা হয়। বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে কিভাবে দেখা হয় সেই সম্পর্কে আমার তেমন কোনো ধারণা নেই তবে দুবাই -তে বাংলাদেশী নাগরিকদের যে হেয় করে দেখা হয় তার কোনো সন্দেহ নেই। 

একটি প্রবাদ বাক্যে পরেছিলাম যে, কেউ তোমার পিঠে চড়তে পারবে না যতক্ষণ তুমি তোমার পিঠ নিচু না করো। কথাটি এজন্য বললাম কারণ আমরা নিজেরাই আসলে আমাদেরকে হেয় করে দেখার পথটি সুদৃঢ় করে দিয়েছি তাদের। আমরা আমাদের কর্মকান্ড দ্বারা নিজের জাতিকে করেছি কলঙ্কিত। যার কারণে বাঙালি নামটি শুনলেই এদেশের মানুষের মুখে একটি কালো মেঘের আবরণ পরে যায়। মনে করেন আমি কারো সাথে বিগত এক ঘন্টা ধরে কথা বলছি, অনেক মিষ্টি মধুর কথা, তবে সে যখন একটি ঘন্টা পর জানে যে আমি একজন বাংলাদেশের নাগরিক তখন তার মুখে আর আগের রস-কস থাকে না। তবে তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। সে আমার সাথে ভালো/খারাপ যেভাবেই কথা বলুক না কেন তাতে আমার কিছু আসে যায় না তবে অবশ্যই আমার জাতির কিছু আসে যায়, আর আমার জাতির উপর যেটা আসে সেটাতো আর মেনে নিতে পারি না। তারা আমাদেরকে আসলেই আমাদের জাতিকে খুব নগন্য মনে করে তবে তার জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী।

এবার সর্ব প্রথমে আপনাদের যে সতর্কবাক্যটি শুনিয়েছি সেটা দুবাই-এ অবস্থিত বাংলাদেশের দুতাবাস কতৃপক্ষের সতর্কবার্তা।  আপনারা হয়ত বলতে পারেন এখানে লজ্জা পাওয়ার কি আছে এটি তো একটু সতর্কমুলুক বার্তা। লজ্জাটা এজন্য পেলাম কারণ এই দেশে হত্যা, গুম, চুরি, ডাকাতির সংবাদ তেমন একটা চোখে পরে না। আমি কিন্তু বলছিনা না যে এসব ঘটনা ঘটে না, সব দেশেই এসব ঘটে থাকে তবে সচরাচর লক্ষনীয় নয়। এদেশে বসবাসরত সবাই এই দেশের আইন কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে থাকে আর এটা করাটাই স্বাভাবিক কারণ আমি যখন আমার দেশ থকে বাহিরে আসব তখন আমাকে ওই দেশের আইন-কানুন অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এখানে একটি অর্ধ-বসনা নারী মধ্যরাতে একা রাস্তাতে চলতে কোনো দ্বিধাবোধ করে না। মানুষ এখানে দ্বিধাবোধ করে না সাথে টাকা নিয়ে চলতে। স্বীকার করতে হবে আমাকে যে এই দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আজও তাদের দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন না হওয়ার লক্ষে কাজ করার চেষ্টা কে যাচ্ছে। এই দেশে বসবাসরত ভিনদেশি নাগরিকদের মধ্যে এই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা পরিলক্ষিত। এই দেশে সামান্য একটি পানির বোতল যেখানে সেখানে ছুঁড়ে না ফেলে সবাই ময়লা ফেলার সুনির্দিষ্ট ঝুঁড়িতে ফেলে পাছে না কেউ দেখে আবার জরিমানা দিতে হয়। এমন ভাবে আইন পরিচালনার পরও আমাদের বাংলাদেশী দুতাবাসথেকে যখন প্রতিনিয়ত সতর্কবাণী দিয়ে যাচ্ছে পকেট মার থেকে সাবধান থাকার জন্য সেটা আমার কাছে লজ্জাকরই মনে হয়েছে। 


আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক এবং আমরাও আজ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে জানি অথবা চেষ্টা করছি তাল মিলিয়ে চলার জন্য। আমি মনে করি আজ যদিও আমরা পিছিয়ে রয়েছি শুধু আমাদের সহমর্মিতা, শ্রদ্ধা, ভালবাসা, মূল্যবোধের অভাবে যা আমরা আমাদের চেতনায় আজও ধারণ করতে পারিনি। নিজের এবং নিজের পরিবারের মুখে একটু হাসি, একটু সচ্ছল ভাবে জীবন ধারনের লক্ষে আপন দেশের মাটি ছেড়ে আমরা পাড়ি জমায় বিদেশের মাটিতে। অর্থ উপার্জন করার উদ্দেশে এখানে আমাদের আসা তবে তার মানে এই নয় যে সেই অর্থটি উপার্জন করতে হবে কোনো অবৈধ পথে। আমাদের দেশের শত শত নাগরিক আজ এই দেশে এসে জড়িত হয়ে পরেছে অনেক অবৈধ কর্মকান্ডে। ভিন দেশে এসেও এখানে পরিকল্পনার করা হয় ব্যাংক লুটের মত বড় অবৈধ কাজ। আর যেই কাজগুলো আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। অপমান করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত আমাদের। 

বেশি বকবক করে আমি আর কি করব বলেন? ঘোড়াকে জোর করে পানিতে নামানো যাবে কিন্তু জোর করে পানি পান করানো যাবে না। নিজেরাই যদি নিজেদের ও নিজের দেশের স্বার্থের জন্য নিজের নৈতিক মূল্যবোধকে না জাগাই তাহলে অন্য কেউ আর তা জাগিয়ে দিতে পারবে না। 

শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০১৪

অচেতনার প্রলাপ সম্ভার


আমি জানি তুমি আসবেই ,
মাঝরাতে ঘুমন্ত আমাকে আচম্বিত বার্তা তুমি পাঠাবেই ,
বৃষ্টিস্নাত দীপ্তিতে কদম্বের ভেলায় চড়ে জানি তুমি আসবেই।
ত্বড়িৎ গতিতে ধেঁয়ে আসবে অভিমানের নীল বরফ গলিয়ে, 
জানি তুমি আসবেই পূঁজা মণ্ডপে, অজস্র কণ্টকশষ্যা পদদলিয়ে।

আমি জানি তুমি আসবেই,
পুঞ্জীভূত স্মৃতির বাণে মরিয়া হয়ে, আজ ভিড়াতেই হবে তরণী,
সিঁধুর মুছে তোমাকে আসতেই হবে যদিও তুমি পরপুরুষের ঘরণী।
জানি শরদিন্দু রজনীতে তুমি আসবেই মনোহর পুষ্পাবৃত বসনে,
শতরঞ্জে হেরে বারবার তোমাকে বসাবো শিশিরধৌত তৃণাসনে।

আমি জানি তুমি আসবেই,
তোমাকে আজ আসতেই হবে পূর্ণগর্ভা হয়ে পূর্ণগ্রাসের সব বিধি ভুলে,
সাপুড়ে বাঁজায় স্মৃতিরক্ষার বীণ, আজ নাঁচবেই তুমি খোলা চুলে।
আজ তুমি আসবেই জানি, উঁড়াবে আমায় শরৎ-এর নীল আকাশে,
লাজুক ঘোমটা আজ খুলবেই তুমি, নির্লজ্জ দুপুরের শনশন বাতাসে।

আমি জানি তুমি আসবেই,
তোমাকে আসতেই হবে, পুরন্ত যৌবনের তরঙ্গে আমাকে ভাসাতেই হবে,
ভাঁটা পড়া বিশ্বাসে বসন্তদূত হয়ে তুমি আসবেই, তোমাকে আসতেই হবে।
থরথরে কম্পিত আড়ষ্ট কলেবরে আজ আসতেই হবে নিরাপদ কাঁথাতলে,
যজ্ঞনলে পুড়ে বারবার আমি তোমাকে করাব পুণ্যস্নান হিমসাগরের জলে।

আমি জানি তুমি আসবেই,
তোমাকে আজ আসতেই হবে, হৃদয়ের বটমূলে বসিয়েছি বৈশাখী মেলা,
ঝাঁজরা পাঁজরে আয়োজিত বরণোত্সবে আসবেই জানি করবেনা হেলা। 
ঝঞ্ঝানিলে খুলে যায় কপাট ,সম্বিৎ ফিরে হন্তদন্ত হয়ে তোমায় খুঁজি।
জানি চেতনায় তুমি আর কোনদিন আসবেনা ,পরক্ষণে এই এলে বুঝি। 

বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০১৪

ঘুমের ভান

জেগে থেকেও করছি ঘুমের ভান,
সে কাঁকন বাঁজিয়ে জাগাবে আমায়,
নয়তো দিবে লাজুক মুখে দুষ্ট হাসি।
ধরবে শামুক কুড়ানোর বায়না,
অথবা ঝিল থেকে পদ্ম তুলে আনার ,
নয়তো দিবে কানের কাছে মিষ্টি কাশি।

হিমসাগরের জল ঢেলে দিবে মুখমণ্ডলে,
অথবা গুনগুন করবে প্রিয় গানের কলিটি,
সাড়া না পেয়ে আচমকা রেগে যাবে তাতে।
ভাবতে ভাবতে অপেক্ষায় কামনাময়ীর,
কর্কশ চিত্কারের খোলে যায় চোখ, দেখি
দূরে সে দাড়িয়ে বাজারের থলে হাতে। 

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০১৪

কর্মব্যস্ততায় জীবন

দেখো আমি আঁটকে পরেছি পরম্পরীণ দিনের জালে 
অনায়াসে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে দেহ থেকে মন। 
তুখোড়তা পালিয়ে যাচ্ছে অজানা বনের পথে,
একাকিত্বের আসনে কাটাই স্নিগ্ধ বৈকালিক ক্ষণ। 

শেষ বিকেলে আপন হয় একরাশ সজীব ক্লান্তি,
হাঁপিয়ে উঠেও ছুঁটে যাই বন্ধু ঘেরা প্রেমময় গলিতে। 
সবার নষ্ট গল্পগুলো আমার ক্লান্তি আরো বাড়িয়ে দেয়,
ঠেলে দেয় নিজ ছায়ার  হাঁত ধরে একাকী পথ চলিতে। 

সপ্তাহের কোনো একদিনে নেই প্রাণ ভরে নিশ্বাস।
ধুলায়িত পথটিতে ছুঁটে যাই ব্যস্ততার বিরতিতে।
মৃদু বাতাসের আলিঙ্গনে সন্ধ্যা কাটাই সন্তর্পণে ,
কখনো চেয়ে থাকি মোহমায়া আসার পথটিতে। 

চঞ্চলা গতিতে গত হয়ে যায় হৃষ্টচিত্তের দিন,
অসহ্য গন্তব্যে ছুটে যাই আবার ভোরের প্রভায়।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকে আমার অপাদমস্তক,
দিন শেষে দেখি ধূসর পৃথিবী কর্মব্যস্ততার আভায়। 

রবিবার, ৯ মার্চ, ২০১৪

স্মৃতির যবনিকা

হাঘরে বসে ভাবছি করবো আরেকবার,
ফেলে আসা স্মৃতির যবনিকা উত্তোলন।
হৃদয়াবেগের সিড়ি বেয়ে দেখি চূড়ায় তার 
আজ সড়ব পথে অযাচিত বিধুর ক্ষণ। 

তপ্ত রোদে শুকিয়ে গেছে কল্পসিক্ত কাঁথাটি
হীনাবস্হায় দিনে দিনে নিদারুণ অবহেলায় ।
নিশাচর হয়ে কাঁদে প্রেমময় পাখীটি।
মুক্তি কোথায় ধোঁয়াশার এই বাস্তবতায়?

পিছলে হোলি উত্সবের ধুম্বল মনে আজও বাঁজে,
ষোড়শীর নূপুর নিক্কনে উন্মত্ত সেই তরুণ প্রাণ।
পূর্ণগ্রাসে জোনাকির আলোয় করে ধারাস্নান সাঁঝে,
তিমির কান্তারে দৃশ্যত শত শিখা অনির্বাণ।

পুরনো ধারাবর্ষণে ঝরতো পূর্নাবয়বের সব নুন,
হৃষ্টচিত্তে মূর্ছা যেতাম দেখে অঙ্কিত ধরনীর মুখ। 
এখন সহস্র জীবনকে পোড়ায় হিংসার আগুন,
প্রেমহীন পৃথিবীতে আজ সবার মনেই অসুখ। 

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০১৪

Stop Finding Mistake In Others

A boy was born to a couple after eleven years of marriage. They were a loving couple and the boy was the apple of their eyes. When the boy was around two years old, one morning the husband saw a medicine bottle open. He was late for work so he asked the wife to cap the bottle and keep it in the cupboard. The mother, preoccupied in the kitchen, totally forgot the matter.

The boy saw the bottle and playfully went to the bottle and, fascinated with its color, drank it all. It happened to be a poisonous medicine meant for adults in small dosages. When the child collapsed, the mother hurried him to the hospital, where he died. The mother was stunned. She was terrified how to face her husband.


When the distraught father came to the hospital and saw the dead child, he looked at his wife and uttered just four words.


What do you think were the four words?


The husband just said "I Love You Darling"


The husband's totally unexpected reaction is proactive behavior. The child is dead. He can never be brought back to life. There is no point in finding fault with the mother. Besides, if only he have taken time to keep the bottle away, this will not have happened. No

point in attaching blame. She had also lost her only child. What she needed at that moment was consolation and sympathy from the husband. That is what he gave her.


Sometimes we spend time asking who is responsible or who to blame, whether in a relationship, in a job or with the people we know. We miss out some warmth in human relationship in giving each other support. After all, shouldn't forgiving someone we love be the easiest thing in the world to do? Treasure what you have. Don't multiply pain, anguish and suffering by holding on to forgiveness.


If everyone can look at life with this kind of perspective, there would be much fewer problems in the world.


Take off all your envies, jealousies, and unwillingness to forgive, selfishness, and fears and you will find things are actually not as difficult as you think...!!! 



Collected By Amin Porobashi

Do Not Angry

A man was putting up family pictures on the newly painted walls of his house. He was using nails and a hammer in order to hang the picture frames. In the process, some nails got bent and fell down on the floor.
The man’s 4 yr old daughter was playing near by. She wanted to play with her dad and called out to him. However the man was busy with framing the pictures, and so ignored her calls and finally asked her to go outside and play with her brother. The girl saw the nails lying on the floor. So she picked up a few nails and went out to play along with her brother.

After a while the son came running in and told his dad ~ that the girl was scratching the newly purchased car with the nails.


The man ran outside and in a fit of rage, the furious Man took his child’s hand & hit it many times, not realizing he was using the hammer, which was in his hand. With blood all over her hands, the girl was rushed to a nearby hospital.


The girl underwent an emergency operation. After a while, When the child saw her father in the hospital, with painful eyes she said : “Dad, I am so sorry, that I damaged your car “. With tears in her eyes, She continued looking at her hand and asked~  ‘Dad –  When will I get back my fingers? I promise that I will never ever damage your car again’.


At the hospital, The child had lost all her fingers due to multiple fractures.

The man was so hurt and speechless, that he couldn't stop sobbing and crying for hours. The girl had lost her fingers forever, because of his uncontrolled anger and stupid action.
He went back to the car and kicked it many times. Devastated by his own actions, sitting in front of the car he looked at the scratches, His daughter had written ‘LOVE YOU DAD’.

Moral: Don’t do something permanently stupid just because you are temporarily upset. If you are patient in one moment of anger you will escape a hundred days of sorrow… Remember, Anger is an acid that can do more harm to the vessel in which it is stored than to anything on which it is poured. Anger and Love have no limit.


Always remember that “Things are to be used and people are to be loved”.  But the problem in today’s world is that “People are being used & Things are being loved”. 



Collected By Amin porobashi

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by প্রহেলিকা